আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’তের আক্বীদা

সত্য পথের পথিকগণই কেবল নির্ভুল গন্তব্যে পৌছাতে সক্ষম। এই পথেই লাভ হয় সর্বোচ্চ সম্পদ ‘আল্লাহপাকের সন্তুষ্টি’। এই পথ ইসলামের পথ। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এই পথের পরিচিতি বিস্তারিতভাবে তাঁর তেইশ বছরের পয়গম্বরী জীবনে বর্ননা করে গিয়েছেন। তিনি অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ সর্বকালের মানুষের নবী। নবীদের নবী। জিন ফেরেশতা সমস্ত মাখলুকের নবী। তিনি আল্লাহ্‌পাকের হাবীব-প্রেমাষ্পদ। তাঁর অনুসরণের মধ্যেই নিহিত রয়েছে দুনিয়া ও আখিরাতের কামিয়াবী। তাঁর প্রবর্তিত পথ ব্যতিরেকে আল্লাহ্‌ প্রাপ্তির আর কোন পথ নেই। ...বাকিটুকু

শরীয়তের মৌলিক উপাদান

আকীদা বিশুদ্ধ করবার পর শরীয়তের পাবন্দ হবার চেষ্টায় নিয়োজিত হওয়া প্রয়োজন। কারন, শরীয়ত প্রতিপালনের উপরেই দুনিয়া ও আখেরাতের সফলতা সম্পূর্ণ নির্ভর করে। শরীয়তের তিনটি উপাদান—এলেম, আমল ও এখলাছ। এই তিনটি উপাদান পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক। এদের যেকোনো একটি বর্জন করলে অপর দুটি মূল্যহীন হয়ে যায়। সুতরাং তিনটি উপাদানই সমান গুরুত্ব সহকারে অর্জন করবার ব্যাপারে সচেষ্ট হতে হবে। এবার এক এক করে আমরা এই উপাদানসমূহ সম্পর্কে সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করব।...বাকিটুকু

ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকিম (ব্যাখ্যা)

আল্লাহর অনুগ্রহপ্রাপ্ত বান্দাদের পরিচয় অন্য একটি আয়াতে এভাবে বর্ননা করা হয়েছেঃ যাদের প্রতি আল্লাহ পাক অনুগ্রহ করেছেন, তারা হচ্ছেন নবী, সিদ্দিক, শহীদ এবং সৎকর্মশীল সালেহীন । আল্লাহর দরবারে মকবুল উপরোক্ত লোকদের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তর নবীগণের । অতঃপর নবীগণের উম্মতের মধ্যে যারা সর্বাপেক্ষা বড় মরতবা ও মর্যাদার অধিকারী, তারা হলেন সিদ্দিক; যাদের মধ্যে রূহানী কামালিয়াত ও পরিপূর্নতা রয়েছে, সাধারণ ভাষায় তাঁদেরকে ‘আওলিয়া’ বলা হয় । আর যারা দ্বীনের প্রয়োজনে স্বীয় জীবন পর্যন্ত উৎসর্গ করেছেন, তাঁদেরকে বলা হয় শহীদ । আর সালেহীন হচ্ছেন-যারা সর্বক্ষেত্রে শরীয়তের পুরোপুরি অনুসরণ ও আমলকারী।...বাকিটুকু

মুহাম্মাদ (সঃ) এর হাক্বীকাত

ব্যক্তি মুহাম্মাদ (সঃ) সম্পর্কে পবিত্র কোরআন বর্নিত হয়েছে হে নবী আপনি বলে দিন, আমি তোমাদের মত বশর । হাক্বীকাতে মুহাম্মাদী (সঃ) সম্পর্কে স্বয়ং বলেন- আমি ঐ সময় নবী ছিলাম যখন আদম (আঃ) মাটি এবং পানির মধ্যে নিহিত ছিলেন । হাক্বীকাতে মুহাম্মাদী হযরত আদম (আঃ) বংশোদ্ভূত নন, বশরও নন, কারো মতোও নন । তিনি কারো বাপও নন, সন্তানও নন । বরং তিনি সৃষ্টি জগতের মূল । উল্লেখ্য যে, বশরিয়তের সূচনা আদম (আঃ) থেকে । অথচ হুজুর (সঃ) তখনো নবী যখন আদম (আঃ) এর সৃষ্টির উপাদানও তৈরি হয়নি । ...বাকিটুকু