Difference between revisions of "'আমীন' চুপে বলা প্রসঙ্গে"

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search
Line 20: Line 20:
 
ইমাম আহমদ, আবূ ইয়ালা, ইমাম তাবরানী, দারে কুতনী ও হাকিম মুস্তাদরাক নামক কিতাবে বর্ণনা করেছেন যে, হযরত আলকামা (রাঃ) এর পিতা হযরত ওয়াইল (রাঃ) রাসূলে করীমের সাথে নামায আদায় করেছেন । যখন রাসূলে করীম (সঃ) ‘গায়রিল মাগদুবি আ’লাইহিম…’ পর্যন্ত পৌঁছেছেন, তখন তিনি চুপে চুপে আমীন বলতেন । <ref>আনওয়ারুল মুকাল্লেদীন, কৃত ই,ফা,বা, পৃঃ ৫০</ref>
 
ইমাম আহমদ, আবূ ইয়ালা, ইমাম তাবরানী, দারে কুতনী ও হাকিম মুস্তাদরাক নামক কিতাবে বর্ণনা করেছেন যে, হযরত আলকামা (রাঃ) এর পিতা হযরত ওয়াইল (রাঃ) রাসূলে করীমের সাথে নামায আদায় করেছেন । যখন রাসূলে করীম (সঃ) ‘গায়রিল মাগদুবি আ’লাইহিম…’ পর্যন্ত পৌঁছেছেন, তখন তিনি চুপে চুপে আমীন বলতেন । <ref>আনওয়ারুল মুকাল্লেদীন, কৃত ই,ফা,বা, পৃঃ ৫০</ref>
  
৫) বুখারীর শরাহ ‘আঈনী’ গ্রন্থে লিখিত আছেঃ
+
;৫) বুখারীর শরাহ ‘আঈনী’ গ্রন্থে লিখিত আছেঃ
 
{{Quotation |
 
{{Quotation |
 
হযরত ইব্রাহীম নাখঈ হতে বর্ণিত আছে- ইমাম চারটি দোয়া চুপে চুপে বলবে- আউযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ, সুবহানাকা ও আমীন । | আনওয়ারুল মুকাল্লেদীন, কৃত ই,ফা,বা, পৃঃ ৫১}}
 
হযরত ইব্রাহীম নাখঈ হতে বর্ণিত আছে- ইমাম চারটি দোয়া চুপে চুপে বলবে- আউযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ, সুবহানাকা ও আমীন । | আনওয়ারুল মুকাল্লেদীন, কৃত ই,ফা,বা, পৃঃ ৫১}}
  
৬) হযরত তাবারানী ‘তাহযীবুল আছার’ গ্রন্থে হযরত আবূ ওয়াইল হতে বর্ণনা করেছেন যে,  
+
;৬) হযরত তাবারানী ‘তাহযীবুল আছার’ গ্রন্থে হযরত আবূ ওয়াইল হতে বর্ণনা করেছেন যে,  
 
{{Quotation |
 
{{Quotation |
 
উমর (রাঃ) ও হযরত আলী (রাঃ) তারা কেউই আমীন ও বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম স্বশব্দে বলতেন না ।| আনওয়ারুল মুকাল্লেদীন, কৃত ই,ফা,বা, পৃঃ ৫১}}
 
উমর (রাঃ) ও হযরত আলী (রাঃ) তারা কেউই আমীন ও বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম স্বশব্দে বলতেন না ।| আনওয়ারুল মুকাল্লেদীন, কৃত ই,ফা,বা, পৃঃ ৫১}}
Line 36: Line 36:
 
আর যদি তা চুপে চুপে পড়া ওয়াজিব না হয়, তবে অন্তঃত পক্ষে সেটা মুস্তাহাব হবে । আমরা এই মত অবলম্বন করি । <ref>সাইফুল মুকাল্লেদীন, কৃত মাওঃ ইবরাহীম মুহাব্বাতপুরী, পৃঃ ৯৯-১০০</ref>
 
আর যদি তা চুপে চুপে পড়া ওয়াজিব না হয়, তবে অন্তঃত পক্ষে সেটা মুস্তাহাব হবে । আমরা এই মত অবলম্বন করি । <ref>সাইফুল মুকাল্লেদীন, কৃত মাওঃ ইবরাহীম মুহাব্বাতপুরী, পৃঃ ৯৯-১০০</ref>
  
৮) ইমাম আবূ দাউদ, ইমাম তিরমিযী ও ইমাম ইবনে মাজা হযরত ছামুরা বিন জুনদাব (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন,  
+
;৮) ইমাম আবূ দাউদ, ইমাম তিরমিযী ও ইমাম ইবনে মাজা হযরত ছামুরা বিন জুনদাব (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন,  
 
{{Quotation |
 
{{Quotation |
 
নিশ্চয়ই তিনি (ছামুরা বিন জুনদাব) হযুরত নবী করীম (সঃ) হতে দুটি (অর্থাৎ দুই স্থানে) চুপ থাকবার কথা স্মরণ রেখেছেন । ১ম- যে সময় তিনি তাকবীরে তাহরীমা অন্তে অন্তে চুপে চুপে ‘ছানা’ পড়তেন । ২য়- যখন তিনি সূরা ফাতিহা পড়া শেষ করতেন, তখন ‘আমীন’ চুপে চুপে পড়তেন । হযরত উবাই ইবনে কা’ব (রাঃ) এই হাদিসটিকে সত্যে বলে স্বীকার করেছেন । ইমাম দারেমীও অনুরুপ বর্ণনা করেছেন । | তুহফাতুল মুমিনীন, কৃতঃ মাওঃ শামসুদ্দীন মোহনপুরী, পৃঃ ৯৯}}
 
নিশ্চয়ই তিনি (ছামুরা বিন জুনদাব) হযুরত নবী করীম (সঃ) হতে দুটি (অর্থাৎ দুই স্থানে) চুপ থাকবার কথা স্মরণ রেখেছেন । ১ম- যে সময় তিনি তাকবীরে তাহরীমা অন্তে অন্তে চুপে চুপে ‘ছানা’ পড়তেন । ২য়- যখন তিনি সূরা ফাতিহা পড়া শেষ করতেন, তখন ‘আমীন’ চুপে চুপে পড়তেন । হযরত উবাই ইবনে কা’ব (রাঃ) এই হাদিসটিকে সত্যে বলে স্বীকার করেছেন । ইমাম দারেমীও অনুরুপ বর্ণনা করেছেন । | তুহফাতুল মুমিনীন, কৃতঃ মাওঃ শামসুদ্দীন মোহনপুরী, পৃঃ ৯৯}}
  
৯) শাফেয়ী মতাবলম্বী ইমাম তিবি বলেছেন,  
+
;৯) শাফেয়ী মতাবলম্বী ইমাম তিবি বলেছেন,  
 
{{Quotation |
 
{{Quotation |
 
উপরোক্ত হাদীসে সুস্পষ্টরুপে প্রমাণিত হয়েছে যে, হযরত নবী করীম (সাঃ) প্রথমবার ‘ছানা’ পাঠ করার সময় চুপ করতেন এবং দ্বিতীয়বার আমীন চুপে চুপে বলতেন । -(মিরকাত) | তুহফাতুল মুমিনীন, কৃতঃ মাওঃ শামসুদ্দীন মোহনপুরী, পৃঃ ৯৯}}
 
উপরোক্ত হাদীসে সুস্পষ্টরুপে প্রমাণিত হয়েছে যে, হযরত নবী করীম (সাঃ) প্রথমবার ‘ছানা’ পাঠ করার সময় চুপ করতেন এবং দ্বিতীয়বার আমীন চুপে চুপে বলতেন । -(মিরকাত) | তুহফাতুল মুমিনীন, কৃতঃ মাওঃ শামসুদ্দীন মোহনপুরী, পৃঃ ৯৯}}
  
১০) আবূ দাউদ তায়ালছীতে উল্লেখ আছেঃ
+
;১০) আবূ দাউদ তায়ালছীতে উল্লেখ আছেঃ
 
{{Quotation |
 
{{Quotation |
 
নবী করীম (সাঃ) ফাতিহা শেষ করে চুপে চুপে আমীন পাঠ করতেন । | সাইফুল মুকাল্লেদীন, কৃত মাওঃ ইবরাহীম মুহাব্বাতপুরী, পৃঃ ৮৫}}
 
নবী করীম (সাঃ) ফাতিহা শেষ করে চুপে চুপে আমীন পাঠ করতেন । | সাইফুল মুকাল্লেদীন, কৃত মাওঃ ইবরাহীম মুহাব্বাতপুরী, পৃঃ ৮৫}}
  
১১) তাহাবী, ইবনে শাহীম ও ইবনে জরীর তাবারীতে বর্ণিত আছেঃ
+
;১১) তাহাবী, ইবনে শাহীম ও ইবনে জরীর তাবারীতে বর্ণিত আছেঃ
 
{{Quotation |
 
{{Quotation |
 
হযরত আবূ ওয়াইল বলেনঃ হযরত উমর ও হযরত আলী বিসমিল্লাহ, আউজু ও আমীন চুপে চুপে পাঠ করতেন । | সাইফুল মুকাল্লেদীন, কৃত মাওঃ ইবরাহীম মুহাব্বাতপুরী, পৃঃ ৮৫}}
 
হযরত আবূ ওয়াইল বলেনঃ হযরত উমর ও হযরত আলী বিসমিল্লাহ, আউজু ও আমীন চুপে চুপে পাঠ করতেন । | সাইফুল মুকাল্লেদীন, কৃত মাওঃ ইবরাহীম মুহাব্বাতপুরী, পৃঃ ৮৫}}

Revision as of 23:27, 14 January 2016

নামাযের মধ্যে সূরা ফাতিহা শেষে আমীন বলা সুন্নাত । চার ইমাম ও অন্যান্য ফিক্‌হশাস্ত্রবিদগণ এতে একমত । হানাফী মাযাহাবে চুপে চুপে পড়ার নামায হোক অথবা উচ্চস্বরে পড়ার নামায হোক- ইমাম ও মুক্তাদি অথবা একাকী হোক সর্বাবস্থায় ‘আমীন’ চুপে বলতে হবে । এর কতিপয় দলিল লিপিবদ্ধ করা হলোঃ

১) বুখারী ও তিরমিযীতে বর্ণিত হয়েছেঃ

হযরত আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্নিত- রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ যখন ইমাম আমীন বলবে, তখন তোমরাও আমীন বলবে । কেননা, যার ‘আমীন’ বলা ফিরিশতাদের আমীন বলার সাথে যুগপৎভাবে একযোগে হবে, তাঁর পূর্বেকার গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হবে । ইবনে শিহাব বলেছেন, আল্লাহর রাসূলও আমীন বলতেন ।

— আনওয়ারুল মুকাল্লেদীন, কৃত ই,ফা,বা, পৃঃ ৪৯

২) তিরমিযী শরীফে উল্লেখ হয়েছেঃ

হযরত ওয়াইল ইবনে হাজর (রাঃ) হতে বর্নিত- তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সঃ)কে ‘গাইরিল মাগদুবি…” পাঠের পর আমীন বলতে শুনেছি । আর তিনি তা বলার সময় নিজ আওয়াজ দীর্ঘ করেন ।

— জামে তিরমিযী মুতারজম উর্দূ, ১ম খন্ড, পৃঃ ১৬৯

৩) উক্ত সাহাবী আরও বর্ননা করেনঃ

রাসূল (সঃ) ‘ওয়ালাদ্দ্বল্লীন’ পাঠের পর আস্তে এবং তা দীর্ঘস্বরে (উচ্চস্বরে নয়) অর্থাৎ- নিজের কানে নিজে যেন স্পষ্ট শুনতে পায় ।

— জামে তিরমিযী মুতারজম উর্দূ, ১ম খন্ড, পৃঃ ১৬৯

৪) তিরমিযীতে আরও উল্লেখ আছেঃ

হযরত আলকামা (রাঃ) হতে বর্নিত আছে- নবী করিম (সঃ) ‘গায়রিল… ওয়ালাদ্দ্বল্লীন’ বলার পর ‘আমীন’ বলেছেন এবং আমীন নিচু স্বরে চুপে চুপে বলেছেন ।

— জামে তিরমিযী মুতারজম উর্দূ, ১ম খন্ড, পৃঃ ১৬৯

ইমাম আহমদ, আবূ ইয়ালা, ইমাম তাবরানী, দারে কুতনী ও হাকিম মুস্তাদরাক নামক কিতাবে বর্ণনা করেছেন যে, হযরত আলকামা (রাঃ) এর পিতা হযরত ওয়াইল (রাঃ) রাসূলে করীমের সাথে নামায আদায় করেছেন । যখন রাসূলে করীম (সঃ) ‘গায়রিল মাগদুবি আ’লাইহিম…’ পর্যন্ত পৌঁছেছেন, তখন তিনি চুপে চুপে আমীন বলতেন । [1]

৫) বুখারীর শরাহ ‘আঈনী’ গ্রন্থে লিখিত আছেঃ

হযরত ইব্রাহীম নাখঈ হতে বর্ণিত আছে- ইমাম চারটি দোয়া চুপে চুপে বলবে- আউযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ, সুবহানাকা ও আমীন ।

— আনওয়ারুল মুকাল্লেদীন, কৃত ই,ফা,বা, পৃঃ ৫১

৬) হযরত তাবারানী ‘তাহযীবুল আছার’ গ্রন্থে হযরত আবূ ওয়াইল হতে বর্ণনা করেছেন যে,

উমর (রাঃ) ও হযরত আলী (রাঃ) তারা কেউই আমীন ও বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম স্বশব্দে বলতেন না ।

— আনওয়ারুল মুকাল্লেদীন, কৃত ই,ফা,বা, পৃঃ ৫১

৭) তাফসীরে কবীরের ৪র্থ খন্ডে ২৪৩ পৃষ্ঠায় ইমাম রাযী বর্ননা করেছেন, ইমাম আবূ হানিফা (রহঃ) বলেন ‘আমীন’ চুপে চুপে পাঠ করা উত্তম । আর ইমাম শাফিয়ী বলেন, আমীন উচ্চস্বরে পাঠ করা উত্তম । ইমাম আবূ হানিফা নিজ মতের সত্যতা প্রমাণ করার উদ্দেশ্যে এই দলিল পেশ করেছেন যে, আমীন শব্দে দুই প্রকার মত আছে- ১ম এই যে, সেটা একটি দোয়া, ২য় সেটা আল্লাহ পাকের একটি নাম । যদি আমীন দোয়া হয়, তবে সেটা চুপে চুপে পাঠ করা ওয়াজিব হবে । কেননা আল্লাহপাক বলেছেন-

তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকিট কাতরভাবে ও চুপে চুপে দোয়া কর ।

আর যদি আমীন আল্লাহপাকের একটি নাম হয়, তবে সেটা চুপে চুপে পাঠ করা ওয়াজিব হবে । কেননা, আল্লাহ পাক বলেছেন,

তুমি তোমার প্রতিপালককে, মনে মনে কাতর ও ভীতভাবে ও অনুচ্চস্বরে স্মরণ করো ।

আর যদি তা চুপে চুপে পড়া ওয়াজিব না হয়, তবে অন্তঃত পক্ষে সেটা মুস্তাহাব হবে । আমরা এই মত অবলম্বন করি । [2]

৮) ইমাম আবূ দাউদ, ইমাম তিরমিযী ও ইমাম ইবনে মাজা হযরত ছামুরা বিন জুনদাব (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন,

নিশ্চয়ই তিনি (ছামুরা বিন জুনদাব) হযুরত নবী করীম (সঃ) হতে দুটি (অর্থাৎ দুই স্থানে) চুপ থাকবার কথা স্মরণ রেখেছেন । ১ম- যে সময় তিনি তাকবীরে তাহরীমা অন্তে অন্তে চুপে চুপে ‘ছানা’ পড়তেন । ২য়- যখন তিনি সূরা ফাতিহা পড়া শেষ করতেন, তখন ‘আমীন’ চুপে চুপে পড়তেন । হযরত উবাই ইবনে কা’ব (রাঃ) এই হাদিসটিকে সত্যে বলে স্বীকার করেছেন । ইমাম দারেমীও অনুরুপ বর্ণনা করেছেন ।

— তুহফাতুল মুমিনীন, কৃতঃ মাওঃ শামসুদ্দীন মোহনপুরী, পৃঃ ৯৯

৯) শাফেয়ী মতাবলম্বী ইমাম তিবি বলেছেন,

উপরোক্ত হাদীসে সুস্পষ্টরুপে প্রমাণিত হয়েছে যে, হযরত নবী করীম (সাঃ) প্রথমবার ‘ছানা’ পাঠ করার সময় চুপ করতেন এবং দ্বিতীয়বার আমীন চুপে চুপে বলতেন । -(মিরকাত)

— তুহফাতুল মুমিনীন, কৃতঃ মাওঃ শামসুদ্দীন মোহনপুরী, পৃঃ ৯৯

১০) আবূ দাউদ তায়ালছীতে উল্লেখ আছেঃ

নবী করীম (সাঃ) ফাতিহা শেষ করে চুপে চুপে আমীন পাঠ করতেন ।

— সাইফুল মুকাল্লেদীন, কৃত মাওঃ ইবরাহীম মুহাব্বাতপুরী, পৃঃ ৮৫

১১) তাহাবী, ইবনে শাহীম ও ইবনে জরীর তাবারীতে বর্ণিত আছেঃ

হযরত আবূ ওয়াইল বলেনঃ হযরত উমর ও হযরত আলী বিসমিল্লাহ, আউজু ও আমীন চুপে চুপে পাঠ করতেন ।

— সাইফুল মুকাল্লেদীন, কৃত মাওঃ ইবরাহীম মুহাব্বাতপুরী, পৃঃ ৮৫

১২) নিশ্চয়ই নবী করীম (সাঃ) সূরা ফাতিহা শেষ করে চুপে চুপে আমীন পড়েছিলেন । [3]

অতএব উল্লেখিত সহীহ হাদীস দৃষ্টে হানাফীগণ চুপে চুপে আমীন বলে থাকেন । উপমহাদেশের সকল মুহাক্কিক আলিম ও মুফতীগণ এই আমল করে আসছেন ।

তথ্যসূত্র

  1. আনওয়ারুল মুকাল্লেদীন, কৃত ই,ফা,বা, পৃঃ ৫০
  2. সাইফুল মুকাল্লেদীন, কৃত মাওঃ ইবরাহীম মুহাব্বাতপুরী, পৃঃ ৯৯-১০০
  3. শরহে বিকায়া, ১ম খন্ড, পৃঃ ১৬৭
  • হানাফীদের কয়েকটি জরুরী মাসায়েল (লেখকঃ মাওলানা মোঃ আবু বকর সিদ্দীক)