হযরত ইমাম আজম (রহঃ) এর সাথে এক নাস্তিক পন্ডিতের বিতর্ক

From Sunnipedia
Revision as of 04:47, 16 November 2015 by Khasmujaddedia1 (Talk | contribs)

(diff) ← Older revision | Latest revision (diff) | Newer revision → (diff)
Jump to: navigation, search
শিক্ষনীয় ইসলামী ঘটনাসমূহ 1
  • হযরত ইমাম আজম (রহঃ) এর সাথে এক নাস্তিক পন্ডিতের বিতর্ক





























আরও পড়ুন শিক্ষনীয় ইসলামী ঘটনাসমূহ
  • শিক্ষনীয় ইসলামী ঘটনাসমূহ 1


একবার আল্লাহর অস্তিত্বে অস্বীকারকারী এক নাস্তিকের সাথে আমাদের ইমাম হযরত আবু হানিফা (রহঃ) এর মুনাজেরা হয়েছিল। মুনাজেরার বিষয় ছিল- পৃথিবীর কোন সৃষ্টিকর্তা আছে কিনা। এত বড় ইমামেমর সাথে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মুনাজেরা দেখার জন্য শত্র-মিত্র যথাসময়ে মুনাজেরার স্থানে সমোবেত হয়ে গেল। নাস্তিক লোকটিও যথাসময়ে পৌছে গেল। কিন্তু হযরত ইমাম আজম নির্ধারিত সময়ের অনেক দেরিতে সমাবেশে তশরিফ আনিলেন। নাস্তিক পন্ডিত ব্যাক্তিটি জিজ্ঞাসা করলেন আপনি এত দেরি কররেন কেন? তিনি বললেন জঙ্গল দিয়ে আসার সময় এক অদ্ভুদ ঘটনা চোখে পড়লো, সেটা দেখে আমি আশ্চর্য হয়ে ওখানে থমকে দাড়িয়ে ছিলাম। ঘটনাটি হলো, নদীর কিনারে একটি বৃক্ষ ছিল। দেখতে দেখতে সেই বৃক্ষ নিজেই কেটে পড়ে গেল, এরপর নিজেই তক্তায় পরিনত হলো, অতঃপর সেই তক্তাগুলো নিজেরাই একটি নৌকা হয়ে গেল এবং সেই নৌকা নিজে নদীতে নেমে গেল এবং নিজেই নদীর এপাড় থেকে ওপারে যাত্রী আনা নেওয়া করতে লাগলো এবং নিজেই প্রতেক যাত্রী থেকে ভাড়া আদায় করতে ছিল। এই দৃশ্যটি দেখতে গিয়ে আমার দেরি হয়ে গেল। নাস্তিক পন্ডিত এটা শুনে অট্টহাসি দিল এবং বললো, আাপনার মত একজন বুজুর্গ ইমামের পক্ষে এরকম জঘন্য মিথ্যা বলা খুবই আশ্চর্যের ব্যাপার এ রকম কি নিজে নিজে কিছু হতে পারে? কোন কারিগর না থাকলে, এরকম কাজ কিছুতেই হতে পারে না।

হযরত ইমাম আযম বললেন, এটাতো কোন কাজই না। আপনার মতে তো এর থেকে অনেক বড় বড় কাজ এমনিতেই হয়। এ পৃথিবী, এ আসমান, এ চাঁদ, সূর্য, তারকারাজি, বাগান সমূহ, রং বেরং এর নানা রকম ফুল, সুমিষ্ট ফল, এ পাহাড় পর্বত, জীব জন্তু,মানব দানব সব কিছু কোন সৃষ্টি কর্তা ব্যতীত এমনিতেই হয়ে গেছে। যদি একটি নৌকা কোন কারিগর ছাড়া এমনিতে তৈরী হয়ে যাওয়াটা মিথ্যা হয়, তাহলে সমস্ত পৃথিবীটা সৃষ্টিকর্তা ব্যতীত নিজে নিজেই তৈরী হয়ে যাওয়াটা ডাহা মিথ্যা ছাড়া আর কি হতে পারে?

নাস্তিক পন্ডিত তাঁর এ বক্তব্য শুনে বিমোহিত হয়ে গেল এবং সঙ্গে সঙ্গে স্বীয় ভ্রান্ত ধারণা ত্যাগ কওে মুসলমান হয়ে গেল।

সবকঃ

এ বিশ্বের নিশ্চই একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন, যার নাম আল্লাহ। আল্লাহর অস্তিত্বেও অস্বীকার যুক্তিরও বিপরীত ।

তথ্যসূত্র

  • তাফসীরে কবীর ২২১ পৃঃ ১ম জিলদ
  • ইসলামের বাস্তব কাহিনী - ১ম খন্ড