হযরত ঈসা (আঃ) এর মিলাদ পাঠ ও কেয়াম

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search

নবী করিম (দঃ) -এর ৫৭০ বৎসর পুর্বে হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম আবির্ভাব ।তিনি তাঁর উম্মত- হাওয়ারী ( বনি ইসরাইল ) কে নিয়ে নবী করিম (দঃ) এর মিলাদ শরিফ পাঠ করেছেন । উম্মতের কাছে তিনি আখেরী জামানার পয়গম্বর (দঃ) -এর নাম ও সানা সিফাত এবং আগমন বার্তা এভাবে বর্নণা করেছেনঃ

হে আমার প্রিয় রাসুল ! আপনি স্বরণ করে দেখুন ঐ সময়ের কথা - যখন মরিয়মেম তনয়া ঈসা (আঃ) বলেছেন : হে বনী ইসরাইলঃ আমি তোমাদের কাছে নবী হয়ে প্রেরিত হয়েছি । আমি আমার পুর্ববর্তী তওরাত কিতাবের সত্যতার সাক্ষ্য দিচ্ছি এবং এমন এক মহান রাসুলের সুসংবাদ দিচ্ছি-- যিনি আমার পরে আগমন করবেন এবং তাঁর নাম হবে আহমদ (দঃ)

— সুরা আছ- ছফ ৬ আয়াত

হযরত ঈসা ( আঃ) এর ভাষন সাধারনত দন্ডায়মান হতো আর এটাই ভাষনের সাধারন রীতি ও বতে । ইবনে কাছির বেদায়া ও নেহায়া গ্রন্থের ২য় খন্ডে ২৬১ পৃষ্ঠয় উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেছেন :

আখাতোবা ঈসা আলাইহেস ষালামু উম্মাতাহুল হাওয়ারিইনা কায়েমা

অর্থৎ হযরত ঈসা (আঃ) দন্ডায়মান (কেয়াম) অবস্থায় তাঁর উম্মৎ হাওয়ারীদেরকে নবীজীর আগমনের সুসংবাদ দিয়ে বক্তৃতা করেছেন ।

সুতরাং মিলাদ ও কিয়াম হযরত ঈসা (আঃ) এর সুন্নাত এবং নবীযুগের ৫৭০ বৎসর পুর্ব হতেই । [1]

তথ্যসূত্র

  1. বেদায়া ও নেহায়া
  • মিলাদ ও কিয়ামের বিধান (লেখকঃ অধ্যক্ষ এম এ জলিল (রহঃ))