হযরত গাওসে আজম বড়পীর আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) এর ভবিষ্যদ্বানী

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search

রওযাতুল কাউইমিয়া গ্রন্থে বর্ণিত আছে যে, একদা হযরত গাওসে আজম বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী (রহ.) বাগদাদের কোন এক জঙ্গলে মুরাকাবায় মশগুল ছিলেন। এ সময় কাশ্ফের হালতে তিনি দেখেন যে, হঠাৎ একটি নূর আসমান থেকে প্রকাশ পায়, ফলে সমস্ত বিশ্বজগত আলোকিত হয়। এ সময় তাঁকে বলা হয়, এখন থেকে পাঁচশ বছর পর যখন সারা দুনিয়াতে শিরক ও বিদ'আত ছড়িয়ে পড়বে, তখন একজন অসাধারণ বুজর্গ ওলী উম্মতে মুহাম্মদীর মধ্যে জন্ম গ্রহণ করবে। সে দুনিয়া থেকে শিরক ও বিদ্‘আত দূর করে দ্বীন-ইসলামকে উজ্জীবিত করবে। তাঁর সোহবত স্পর্শ মনির মত হবে এবং তাঁর পুত্র ও খলীফাগণ দ্বীনি খিদমত উত্তমরূপে সম্পন্ন করবে।

এরপর হযরত গাওসে আজম (রহ.) তাঁর খাস খিরকাকে কামালাতে ভরপূর করে স্বীয় পুত্র সৈয়দ তাজুদ্দীন আব্দুর রাজ্জাক (রহ.)-কে সোপর্দ করে নির্দেশ দেনঃ যখন ঐ বুজুর্গের প্রকাশ হবে, তখন যেন এটা তাঁকে প্রদান করা হয়। সেই সময় থেকে ঐ খিরকা মুবারক পর্যায়ক্রমে হস্তান্তরিত হয়ে হযরত পীরানে-পীর (রহঃ)-এর দৌহিত্র হযরত শাহ সেকেন্দার (র) এর মারফতে হযরত মুজাদ্দিদে আলফে সানী (রহঃ)-এর নিকট পৌঁছে । [1]

এছাড়া হিজরী পঞ্চম শতকের মাঝামাঝি হযরত শায়খ আহমদ জাম (রহ.) নামক একজন বুজুর্গ ভবিষ্যদ্বানী করেন যে, তাঁর চারশ বছর পর ইসলাম জাহানে ‘আহমদ’ নামে একজন বুজুর্গ ব্যক্তির জন্ম হবে, যিনি মৃতপ্রায় ইসলামকে পুনরুজ্জীবিত করবেন। হযরত শায়খ আবদুল্লাহ সোহরাওয়ার্দী (রহ.) ও হযরত শায়খ সেলিম চিশতী (রহঃ) উভয়েই মুরাকাবার মাধ্যমে মুজাদ্দিদে আলফে সানী (রহঃ)-এর জন্মের বাতেনী ইঙ্গিত পেয়েছিলেন।[1]

তথ্যসূত্র

  1. 1.0 1.1 রওয়াতুল, কাইউমিয়া, মাওলানা হাসান কাশ্মী (রহঃ) বর্ণিত।
  • মুজাদ্দিদ-ই-আলফে সানী (রহঃ) জীবন ও কর্ম (লেখকঃ ডক্টর আ. ফ. ম. আবু বকর সিদ্দীক)