হাকীকতে কাবা'র সিরহিন্দ শরীফে আগমণ

From Sunnipedia
Jump to: navigation, search

উল্লেখ্য যে, হযরত মুজাদ্দিদে আলফে সানী (রহ.) হজ্জে বায়তুল্লাহ’ আদায় করতে পারেননি। আল্লাহর তায়ালার নির্দেশে ‘হাকীকতে কা’বা সিরহিন্দ শরীফে যিয়ারতের জন্য এসেছিল। তখন তাঁর খানকা শরীফের কূপগুলি জমজমের পানিতে ভরে গিয়েছিল। তাঁর খানকা শরীফের যমীনকে জান্নাতী বা বেহেশতী যমীনের মর্যাদা দেওয়া হয়। মসজিদের উত্তর দিকে উক্ত যমীন এবং ‘আবে জমজমের’ বা জমজম পানির উৎস এখন ও বিদ্যমান আছে!

প্রকাশ থাকে যে, হযরত মুজাদ্দিদে আলফে সানী (রহ.)-এর ‘রওজা মুবারক’ যেখানে অবস্থিত, সেখানে মদীনা মনওয়ারার রাসূলে পাক (স.)-এর ‘রওজা শরীফের’ কিছু মাটি আছে। এই মাটি নূহ (আ.)-এর তুফানের সময় মদীনা মনওয়ারা হতে এখানে এসেছিল। সার কথা এই যে, হযরত মুজাদ্দিদে আলফে সানী (রহ.)-এর কামালাত ও পরিপূর্ণ মর্যাদার কথা বর্ণনা করা মোটে ও সম্ভব নয়। কারণ, তিনি তা নিজেই গোপন রাখেন।

হযরত মুজাদ্দিদে আলফে সানী (রহ.) আরো বলেনঃ

..... এই ফকীর দৃষ্টি প্রসারিত করে দেখছে যে নবী করীম (স.)-এর দ্বীনের দাওয়াত পেঁ․ছেনি, এমন কোন জায়গা পৃথিবীতে নেই। এমন কি ইয়াজুজ ও মাজুজদের কাছে এ দাওয়াত পৌঁছে গেছে। আগের উম্মতদের প্রতি খেয়াল করলে দেখা যায়, নবী-রাসূল প্রেরিত হননি, এমন কোন স্থান নেই। এমন কি সুদূর হিন্দুস্তানেও নবী-রাসূল প্রেরিত হয়েছিলেন এবং তাঁরা হিন্দুদের কাছে দ্বীনের দাওয়াত দিয়েছিলেন। ইচ্ছা করলে আমি হিন্দুস্তানের সেই শহর গুলি নির্দিষ্ট করে দিতে পারি।

সিরহিন্দ শরীফের পূর্ব দিকে ‘বরছ’ নামক স্থানে কয়েকজন নবীর মাযার আছে। হযরত মুজাদ্দিদ (রহ.) কাশ্ফ মারফত এখবর অবগত হয়েছিলেন। সিরহিন্দ শরীফ থেকে এ স্থানের দূরত্ব প্রায় বিশ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র

  • মুজাদ্দিদ-ই-আলফে সানী (রহঃ) জীবন ও কর্ম (লেখকঃ ডক্টর আ. ফ. ম. আবু বকর সিদ্দীক)